বরুড়া প্রতিনিধি: কুমিল্লার বরুড়া উপজেলা মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের পেশ ইমাম পদে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত মুফতি আরিফ মাহমুদের পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা সৃষ্টি হয়েছে। এদিকে নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফলে পেশ ইমাম পদে তাঁর নামের পাশাপাশি অপেক্ষমাণ তালিকায় আরও দুই প্রার্থীর নাম প্রকাশ করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ৮ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত নিয়োগ পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, পেশ ইমাম পদে রোল নম্বর ১১৬-এর প্রার্থী আরিফ মাহমুদকে নির্বাচিত করা হয়েছে। একই পদে অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন রোল নম্বর ১১৫-এর মো. দেলোয়ার হোসেন এবং রোল নম্বর ১০৩-এর তাওফিক উদ্দীন রায়হান। পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ঘিরে সমালোচনা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া স্ক্রিনশট অনুযায়ী, আরিফ মাহমুদের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে ২০২৫ সালের ১১ জুলাই বিএনপি ও দলটির নেতাদের নিয়ে সমালোচনামূলক মন্তব্যসংবলিত একটি পোস্ট প্রকাশিত হয়। এ ছাড়া একই বছরের ১৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ ও শেখ মুজিবুর রহমানের পরিবারকে নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক ও কটাক্ষমূলক বক্তব্যসংবলিত আরেকটি পোস্টের স্ক্রিনশট সামনে এসেছে। পোস্ট দুটির ভাষা ও বক্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এসব পোস্টের প্রেক্ষাপট এবং এ বিষয়ে আরিফ মাহমুদের বক্তব্য জানা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে আগ্রহী ব্যক্তিরা। নিয়োগে অপেক্ষমাণ তালিকার প্রার্থীরা প্রকাশিত ফলাফলের নথিতে পেশ ইমাম পদে নির্বাচিত প্রার্থীর পাশাপাশি দুইজনকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে। এ ছাড়া মুয়াজ্জিন পদে ইফতেখারুল আলমকে নির্বাচিত এবং মাহমুদুল হাসান ও মো. ইটুপা পাটোয়ারীকে অপেক্ষমাণ তালিকায় রাখা হয়েছে। খাদিম পদে মো. আহসান উল্লাহ ও রেজওয়ান নির্বাচিত এবং শাহ আলম অপেক্ষমাণ তালিকায় রয়েছেন। নিয়োগের ফলাফলে বলা হয়েছে, যথাযথ কর্তৃপক্ষের যাচাই-বাছাই এবং প্রয়োজনীয় সনদপত্র যাচাই সন্তোষজনক হলে নির্বাচিত প্রার্থীদের স্থায়ী ঠিকানায় নিয়োগপত্র পাঠানো হবে। কোনো ভুলত্রুটি বা দৃষ্টিগোচর বিষয় থাকলে তা সংশোধন বা পরিবর্তনের অধিকারও কর্তৃপক্ষ সংরক্ষণ করেছে। কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা আরিফ মাহমুদের ফেসবুক পোস্টগুলো নিয়ে আলোচনা তৈরি হওয়ায় নিয়োগের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা এবং প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাইয়ের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। তবে পোস্টগুলো নিয়োগের ক্ষেত্রে কোনো বিধিগত বাধা সৃষ্টি করে কি না, তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই ও সিদ্ধান্তের বিষয়। এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিয়োগ কমিটির সভাপতি আসাদুজ্জামান রনির বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে। একই সঙ্গে মুফতি আরিফ মাহমুদের বক্তব্যও নেওয়া প্রয়োজন। উল্লেখ্য, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত হওয়া চূড়ান্ত নিয়োগের নিশ্চয়তা নয়। নিয়োগপত্র প্রদানের আগে নির্ধারিত যাচাই-বাছাই সম্পন্ন হওয়ার কথা রয়েছে। Share this news as a Photo Card Download Photo Card Generating high-quality image, please wait... Post navigation নকশা ছাড়া ভবন নির্মাণের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিধিমালা তৈরি করছে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়। বরুড়ায় পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১৪, অভিভাবকের জিম্মায় ১০ কিশোর